আমতলীতে যৌথবাহিনীর অভিযান, জরিমানা সংগ্রহ
হেলিকোনিয়া ফুলের মধু পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম পাখি হামিংবার্ডসহ অনেক পাখির প্রিয় খাবার। এই ফুলটি আমেরিকার মাটি থেকে উত্পন্ন হলেও বাংলাদেশের জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালীন সময়ে ফুটে ওঠে, এবং ফুলটির বেলাভূমি পুরো গ্রীষ্মকালেই থাকে। এর বৈজ্ঞানিক নাম Heliconia rostrata, এবং এটি বলিভিয়ার জাতীয় ফুল। তবে গ্রীষ্মকাল শুরু না হতেই, রংপুর শহরের সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজের সামনে এক বাড়ির প্রাঙ্গণে এই ফুলটি এখন পথচারীদের মনোযোগ আকর্ষণ করছে।
ফুলটি সম্পর্কে জানা গেছে, গন্ধহীন এই ফুলটির মঞ্জরি দীর্ঘ এবং নিচের দিকে ঝুলে থাকে, উজ্জ্বল লাল রঙের। মঞ্জরির ফুলগুলো এমনভাবে সাজানো থাকে যেন ঝুলন্ত মালার মতো। এই ফুলটির ইংরেজি নাম Hanging Lobster Claw, এবং বাংলায় একে ঝুলন্ত চিংড়ি বলা হয়।
ফুলটি লাল রঙের, তবে তার অগ্রভাগে সবুজ রঙের শেড দেখা যায়। ফুটন্ত এই ফুলের সৌন্দর্য মনোমুগ্ধকর এবং এটি প্রকৃতি প্রেমিদের মাঝে আনন্দের সৃষ্টি করে। ফুলটির সৌন্দর্য দীর্ঘ সময় ধরে অটুট থাকে। গাছটি ঝোপাল আকারে বেড়ে ওঠে। গাছের পাতা কলাগাছের পাতা মত আকারে, লম্বা ডাঁটার সাথে আয়তাকার ফলক, সবুজ রঙের, পুরু এবং স্পষ্ট মধ্যশিরা রয়েছে। গাছটির উচ্চতা সাধারণত ১০ থেকে ১২ ফুট হয়ে থাকে। এই ফুলের গাছ কন্দের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে এবং যেখানেই চারাগাছ রোপণ করা হয়, সেখানেই সময়ের সাথে সাথে গাছের সংখ্যা বাড়তে থাকে। হেলিকোনিয়া ফুলের চারা বিভিন্ন নকশায় বা সারি করে রোপণ করা যায়, এতে বাগানের সৌন্দর্য বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।
বাংলা একাডেমির সহপরিচালক এবং বেগম রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্র, পায়রাবন্দ, রংপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবিদ করিম মুন্না জানিয়েছেন, আমাদের দেশে হেলিকোনিয়া ফুলটি পারিবারিক বাগান, অফিস, পার্ক, উদ্যান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বাগান, টব, সীমানাপ্রাচীর ছাড়াও ছাদবাগানে দেখা যায়। উঁচু ভূমি, রৌদ্রজ্জ্বল পরিবেশ এবং বিভিন্ন ধরনের মাটিতে এই ফুলটি জন্মে থাকে।
প্রকাশিত: | By Symul Kabir Pranta