গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে মারধর করে আহত
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় পূর্ব শত্রুতা ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কারণে বান্ধাবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম শিকদারসহ ৪ জনকে প্রতিপক্ষ পিটিয়ে আহত করেছে। গুরুতর আহতদের কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এই ঘটনার পর মোঃ শহিদুল ইসলাম শিকদার কোটালীপাড়া থানায় লেবু শেখসহ ৯ জনকে আসামি করে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ আজিজুল শেখ নামে একজনকে আটক করেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) কোটালীপাড়া উপজেলার বান্ধাবাড়ি ইউনিয়নের ২৫ নং হরিনাহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা গেছে, বান্ধাবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম শিকদার এবং একই এলাকার লেবু শেখের মধ্যে দীর্ঘদিনের শত্রুতা চলছিল। এর ফলস্বরূপ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজ শেষে ২৫ নং হরিনাহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে পৌঁছালে লেবু শেখ (৪৮) তার লোকজন নিয়ে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় মোঃ শহিদুল ইসলাম শিকদার (৪১), তোকাম শিকদার (৪৮), আসাদুল শিকদার (২১), ফেরদৌস শিকদার (২৪) গুরুতর আহত হন। তাদের কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বান্ধাবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম শিকদার বলেন, আমি এবং আমার পরিবারের সদস্যরা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে লেবু শেখ তার লোকজন নিয়ে আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে। লেবু শেখ এবং তার সহযোদ্ধারা আওয়ামী লীগ ও যুব লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাদের উদ্দেশ্য ছিল আমাকে হত্যা করা। তাই আমি প্রশাসনের কাছে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তির দাবি জানাই।
এ বিষয়ে লেবু শেখের বাড়িতে গেলে কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে লেবু শেখের ভাইপো বাচ্চু শেখের স্ত্রী তানিয়া আক্তার জানিয়েছেন, "শুনেছি সন্ধ্যায় মসজিদে দুই পক্ষের মধ্যে কিছু ঝামেলা হয়েছে। এই সময় আমার স্বামী বাচ্চু শেখ ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তিনি ঢাকায় চলে গেছেন।"
কোটালীপাড়া থানার এসআই এবং এই ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তম কুমার সেন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর আজিজুল শেখ নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
প্রকাশিত: | By Symul Kabir Pranta