বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আশুলিয়ায় ৬টি লাশ পোড়ানোর মামলার তদন্ত সম্পন্ন
ঢাকার আশুলিয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে হত্যার পর ৬টি লাশ পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্ত শেষ হয়েছে। জুলাই-আগস্টের গণহত্যার বিচার করার জন্য পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের এটি প্রথম মামলা, যার তদন্ত সম্পন্ন হলো।
রবিবার (২৩ মার্চ) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় আশুলিয়ায় ছয়জনের মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় হওয়া এই মামলায় ২৪ ডিসেম্বর সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম ও চার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল।
প্রসিকিউশনের আবেদন অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ পরোয়ানা জারি করেন। এরপর পরবর্তী শুনানির জন্য ২৬ জানুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। শুনানি শেষে তিনি বলেন, ৫ আগস্ট ছয় শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যার পর পরিকল্পনা অনুযায়ী তাদের লাশ পুড়িয়ে ফেলা হয়।
লাশ পুড়িয়ে ফেলার ঘটনার পর ১১ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দুটি অভিযোগ করা হয়। দুটি অভিযোগ অভিন্ন হওয়ায় একটি মামলা তৈরি হয়। এই মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাপ্রাপ্ত সাবেক এমপি সাইফুল ইসলাম পলাতক থাকলেও, ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, তৎকালীন ওসি এ এফ এম সায়েদ, ডিবি পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, এসআই মালেক এবং কনস্টেবল মুকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রকাশিত: | By Symul Kabir Pranta