অ্যাসিডিটি কমাতে যা যা পরিবর্তন প্রয়োজন
গ্রীষ্মকালের সঙ্গে সম্পর্কিত নানা স্বাদ যেমন আম, আইসক্রিম এবং ঠান্ডা পানীয়, কিন্তু এই ঋতুতে অ্যাসিডিটির সমস্যাও বেড়ে যেতে পারে। তীব্র গরম, অতিরিক্ত চা এবং চটপটে মসলাদার খাবার আপনার পেটে অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে।
গরমে অ্যাসিডিটির সমস্যা সাধারণত বাড়ে। এর কারণ হলো ডিহাইড্রেশন, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এবং ভারী খাবার হজমে প্রভাব ফেলা। অ্যান্টাসিড তৎক্ষণাৎ উপশম দেয়, তবে এটি স্থায়ী সমাধান নয়। অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু জীবনযাত্রার পরিবর্তন প্রয়োজন।
১. খাবার খান একাধিকবার
দিনে ছোট পরিমাণে একাধিকবার খাবার খেলে অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। এই অভ্যাস অতিরিক্ত অ্যাসিড উৎপাদন কমায় এবং অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে, যা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের কারণ হতে পারে।
২. ভাজা খাবার কম খান
ভাজা খাবার হজমে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে এবং অ্যাসিড রিফ্লাক্সের ঝুঁকি বাড়ায়। এগুলো এড়িয়ে চললে পেট ফাঁপার সমস্যা কমে যায় এবং অস্বস্তিও রোধ হয়।
৩. মসলাদার খাবার সীমিত করুন
অতিরিক্ত মসলাদার খাবার খেলে অ্যাসিডিটি বেড়ে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, মসলাদার খাবার পেটের আস্তরণে এবং খাদ্যনালীর মধ্যে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে, যা অ্যাসিডিটিতে সহায়ক। এসব খাবার এড়িয়ে চললে সমস্যা অনেক কমে যায়।
৪. খাবার পর সোজা থাকুন
খাওয়ার পর শুয়ে পড়লে অ্যাসিডিটি আরও বাড়তে পারে। খাবারের পর সোজা থাকার চেষ্টা করুন, যাতে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি অ্যাসিডকে সঠিক জায়গায় রাখে এবং অ্যাসিডিটির ঝুঁকি কমে।
৫. অতিরিক্ত না খেয়ে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত খাবার খান
খাওয়ার পর অতিরিক্ত না খেয়ে, ৮০ শতাংশ পরিপূর্ণ হওয়ার পর থেমে যান। এই অভ্যাস গ্যাস্ট্রিক চাপ কমায় এবং অ্যাসিডিটি হ্রাস করতে সহায়তা করে।
৬. খাবারের পরে পানি না পান করা
খাওয়ার পরে তৎক্ষণাৎ পানি পান করা উচিত নয়, কারণ এটি পাকস্থলীর অ্যাসিড পাতলা করতে পারে, যা হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে পানি পান করলে হজমের জন্য সঠিক অ্যাসিড ভারসাম্য বজায় থাকে।
প্রকাশিত: | By Symul Kabir Pranta