মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং ইয়েমেনের হুতিদের বিরুদ্ধে অব্যাহত হামলার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র আরও একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরীর সংখ্যা দুটিতে বাড়াচ্ছে। পূর্বের রণতরীটি থাকবে এবং ইন্দো-প্যাসিফিক থেকে আরেকটি রণতরী পাঠানো হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা দিন দিন বাড়ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে পারমাণবিক আলোচনায় বসার জন্য দুই মাসের সময় বেঁধে দিয়েছেন, নতুবা ইরানের স্থাপনাগুলোর ওপর হামলার হুমকি দিয়েছেন। এই উত্তেজনার মধ্যে ইয়েমেনের হুতিদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর ঘোষণা এসেছে।
পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল এক বিবৃতিতে জানান, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, আগ্রাসন প্রতিহত এবং অবাধ বাণিজ্য নিশ্চিত করতে ‘কার্ল ভিনসন’ রণতরীটি ‘হ্যারি এস. ট্রুম্যান’-এর সাথে যোগ দেবে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত বিমান স্কোয়াড্রন ও অন্যান্য বিমান সম্পদ পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়ানোর জন্য কোনো রাষ্ট্রীয় বা অ-রাষ্ট্রীয় পক্ষের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে হুমকি দেন, হুতিদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা পাঠান - মার্কিন জাহাজে গুলি চালানো বন্ধ কর, আর আমরা তোমাদের ওপর গুলি চালানো বন্ধ করব। অন্যথায়, আমরা কেবল শুরু করেছি, আসল যন্ত্রণা এখনো আসেনি হুতিদের এবং ইরানের পৃষ্ঠপোষকদের জন্য।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান যদি তার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারে, তবে বোমা হামলা চালানো হবে।
প্রকাশিত: | By Symul Kabir Pranta