( 'বিভ্রান্তিকর ও একপক্ষীয়' নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন: প্রেস উইং )
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিতব্য বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের সময় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এটি দুই দেশের নেতাদের মধ্যে প্রথম বৈঠক হবে।
বিমসটেক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে থাইল্যান্ড যাচ্ছেন ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তাদের মধ্যে বৈঠকের জন্য একটি বার্তা পাঠিয়েছিল ঢাকা, যার প্রতিউত্তর ইতিমধ্যেই দিল্লি থেকে এসেছে।
বুধবার (২ এপ্রিল) দিল্লির সম্মতির বিষয়টি ঢাকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।
ঢাকার একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, আগামী বৃহস্পতি (৪ এপ্রিল) ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলন চলাকালে ড. ইউনূস এবং নরেন্দ্র মোদি বৈঠক করবেন। তবে বৈঠকটি কত সময়ব্যাপী হবে এবং কোন ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হবে, তা এখনও নির্দিষ্ট হয়নি।
গত ৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের মধ্যে কিছু অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল। আট মাসের বেশি সময় পার হলেও দুই প্রতিবেশীর সম্পর্কের মধ্যে টানাপড়েন অব্যাহত রয়েছে। তবে ড. ইউনূসের সরকার আর সম্পর্কের মধ্যে অস্বস্তি চান না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ভারত সম্পর্কের উন্নতির জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।
ব্যাংককে ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে সাবেক এক রাষ্ট্রদূত মন্তব্য করেন, ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের মধ্যে যে টানাপোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল, তা অনেকটা দূর হতে পারে যদি ব্যাংককে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তিনি মনে করেন, দুই প্রতিবেশী একে অপরকে গুরুত্ব দেন, এ বিষয়ে বৈঠক হলে দুই দেশেরই লাভ হবে।
সম্প্রতি পররাষ্ট্রসচিব জসীম উদ্দিন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই বৈঠককে গুরুত্বের সাথে নেওয়া হচ্ছে। যদি বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়, তবে দুই দেশের সম্পর্কের স্থবিরতা কাটানোর সুযোগ থাকবে।
পূর্বে, গত সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এই বৈঠকটি হওয়ার কথা ছিল, তবে তা শেষ পর্যন্ত হয়নি।
প্রকাশিত: | By Symul Kabir Pranta