সেভেন সিস্টার্স নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা হাই রিপ্রেজেন্টেটিভের মন্তব্য
চীন সফরের সময় ভারতের পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য (সেভেন সিস্টার্স) নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যে মন্তব্য করেছেন, তা নতুন কিছু নয়, এমনটি জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান।
আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান ড. খলিলুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘কানেক্টিভিটি এই অঞ্চলের সম্ভাবনাকে উন্মুক্ত করবে, বিশেষ করে তাদের জন্য যারা সমুদ্রপথে প্রবেশের সুবিধা পায় না। আমরা কাউকে জোর করে কানেক্টিভিটি দিতে চাই না, কারণ সেই অবস্থানেও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ গ্রহণ করে, তা ভালো, না নিলে কিছু করার নেই। প্রধান উপদেষ্টা যা বলেছেন, তা একেবারে সৎ উদ্দেশ্যেই ছিল। যদি এর ব্যাখ্যা অন্যভাবে করা হয়, আমরা তা রোধ করতে পারি না। আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য সমান লাভের সুযোগ সৃষ্টি করা।’
ড. খলিলুর রহমান আরও বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা সেভেন সিস্টার্স নিয়ে একমাত্র আজই কথা বলেননি। ২০১২ সালে তিনি একই ধরনের বক্তব্য রেখেছিলেন। এর কিছু সময় পর, ২০২৩ সালে, জাপানের প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে বলেছিলেন, নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়া এবং বাংলাদেশকে একটি অর্থনৈতিক ভ্যালু চেইনে আবদ্ধ করার কথা, যা বিগ বে ইনিশিয়েটিভ নামে পরিচিত।’
তিনি বলেন, ‘বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমসটেক) সম্মেলনের শেষ দিনে প্রধান উপদেষ্টা এই সংস্থার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। আগামী দুই বছরের জন্য বাংলাদেশ এই দায়িত্ব পালন করবে।’
ড. খলিলুর রহমান আরও জানান, ‘বিমসটেক সম্মেলনের সময় বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানদের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা আশাবাদী, তবে বৈঠক না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করব না।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান। আমরা আশা করছি, অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রের শীর্ষ প্রতিনিধি এই সুযোগে আগামী দিনের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করবেন। এ কারণে সাক্ষাৎ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম এবং ডেপুটি প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশিত: | By Symul Kabir Pranta